নয়াদিল্লি, ২৬ আগস্ট (হি.স.): ইদ মিলাদ-উন-নবী উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণন-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বুধবার দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা পয়গম্বর মহম্মদের দেওয়া শিক্ষা স্মরণ করে শান্তি, করুণা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভ্রাতৃত্ব এবং সম্প্রীতিকে সুদৃঢ় করার বার্তা দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দেশবাসীকে, বিশেষত মুসলমান সম্প্রদায়কে ইদ মিলাদ-উন-নবীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি পয়গম্বর মহম্মদের দেওয়া শিক্ষাকে স্মরণ করার দিন, যা মানুষকে সৎ আচরণ ও দায়িত্ববোধ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করে। তিনি সকলকে তাঁর জীবনের মহান নীতিগুলি থেকে পথনির্দেশ নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল ভারত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণন ইদ মিলাদ-উন-নবীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই পবিত্র উপলক্ষ করুণা, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার মূল্যবোধ বজায় রাখতে এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃঢ় করতে অনুপ্রাণিত করুক। তিনি সকলের জন্য শান্তি, আনন্দ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ইদ মিলাদ-উন-নবীর শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যের চেতনা আরও সুদৃঢ় হওয়ার কামনা করেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ইদ মিলাদ-উন-নবী সকলের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও করুণার ভাব আরও শক্তিশালী হবে।
কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, পয়গম্বর মহম্মদের জীবন ও তাঁর শিক্ষা মানবতার জন্য করুণা, শান্তি এবং ন্যায়ের মতো শাশ্বত মূল্যবোধের কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, এই উপলক্ষ যেন ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে শক্তিশালী করে এবং দেশে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর ভিত্তি করে সমাজ গঠনে অনুপ্রাণিত করে।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ইদ মিলাদ-উন-নবীর শুভেচ্ছা জানিয়ে সকলের জন্য শান্তি, আনন্দ, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও ইদ মিলাদ-উন-নবী উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই উৎসব যেন মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আনন্দ নিয়ে আসে।
আম আদমি পার্টি-র জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল ইদ মিলাদ-উন-নবীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি প্রার্থনা করেন, এই পবিত্র দিন যেন মানুষের জীবনে আনন্দ নিয়ে আসে, দেশে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব সুদৃঢ় হয় এবং প্রতিটি পরিবারের উন্নতি নিশ্চিত করে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ



